আজকালের প্রতিবেদন: বার্সিলোনার হয়ে বছরের পর বছর একের পর এক ট্রফি ঢুকেছে তাঁর ঘরে। কিন্তু দেশের হয়ে? না, লিওনেল মেসির ওই ক্যাবিনেট ঢুঁড়লেও মিলবে না আর্জেন্টিনার হয়ে পাওয়া কোনও ট্রফি। সামনেই কোপা আমেরিকা। গতবছর যে টুর্নামেন্টে দাপিয়ে খেললেও, ফাইনালে হারতে হয়েছিল চিলির কাছে। তাই আবার এই খেতাবের শতবর্ষে যে করেই হোক ট্রফিটা জিততে চান মেসি। এবং নীল–সাদা জার্সিই যে খেতাবের যোগ্য দাবিদার, সে কথা জোর গলায় বলে দিয়েছেন।
Labels
Labels
Wednesday, May 25, 2016
যারা ডার্বি জিতল, তারা কী পেল: সঞ্জয় | আজকাল
আজকালের প্রতিবেদন: গুয়াহাটি থেকে বিমান ছাড়ার অনেক আগেই কলকাতা বিমানবন্দরে সবুজ মেরুন জনতার ঢেউ। প্রিয় দলের কোচ–ফুটবলারদের নিয়ে হাজার তিনেক সমর্থকদের গর্জনে কান পাতা দায়। বাতাসে উড়ছিল সবুজ–মেরুন আবির। সঙ্গে সবুজ–মেরুন পতাকা। কেউ এসেছিলেন বাসে, ট্যাক্সিতে, গাড়িতে। কেউ কেউ বাইক, ম্যাটাডোরে। কেউ পায়ে হেঁটে। মিউজিক সিস্টেম সহ। বিমানবন্দর চত্বর জুড়ে লাউডস্পিকারে ভেসেছে গান— আমাদের সূর্য মেরুন, নাড়ীর যোগ সবুজ ঘাসে....। সবুজ মেরুন সবুজ মেরুন, পালতোলা নৌকা ছুটছে দারুন....। সময় যত গড়িয়েছে বেড়েছে ভিড়।
Tuesday, May 24, 2016
কোটলা আকাশের নীচে দিল্লির বিমান-বিভীষিকা চান না নাইটরা । গৌতম ভট্টাচার্য - আনন্দবাজার
![]() |
| চেনা মাঠে অচেনা ভাগ্যের সামনে গম্ভীর। মঙ্গলবার কোটলায়। ছবি: উৎপল সরকার |
কেকেআর টিমে যে অলিখিত রেওয়াজ চালু রয়েছে মঙ্গলবার তার আশ্চর্য ব্যতিক্রম হল। রেওয়াজটা হল আন্দ্রে রাসেল আর সুনীল নারিনকে বিকেল চারটের আগে সাধারণত কেউ ডিসটার্ব করে না।
টিমের দুই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান প্লেয়ার কলকাতাতেও চলেন নিজেদের দেশের ঘড়ি অনুযায়ী। সকাল সাতটা নাগাদ নিজেদের দেশের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে, বাড়ির সঙ্গে কথা-টথা বলে, মেল-টেল সেরে ঘুমোতে যান। লাঞ্চ বলতে ওই চারটের পর উঠে যেটুকু খাওয়া। হেভি স্ন্যাক্স খাওয়া কারণ তখন তো আর হোটেল মেন কোর্স দেয় না। আইপিএল ম্যাচ বা প্র্যাকটিস দুটোই যেহেতু সন্ধেবেলা, এমন রুটিন সমস্যা হয় না।
তরতাজা থাকার জন্য এক রাতের ঘুমই যথেষ্ট আমার নাইটদের । গৌতম গম্ভীর - আনন্দবাজার
আইপিএলে বিরল বিশ্রামের দিন ছিল সোমবার। প্রায় দু’মাস এক নাগাড়ে অ্যাকশনের পর সন্ধেয় কোনও ম্যাচ না থাকা কিছুটা অস্বস্তিকর। আসলে আইপিএল একটা আসক্তির মতো আর কখনই আমার এতে মন ভরে না। তাই রেস্ট ডে কে কোনও সময়েই স্বাগত নয়, অন্তত আমার কাছে। সোনির সঞ্চালক গৌরব কপূরের সেই টুইটটা মনে আছে, ‘‘৯ এপ্রিলের পর আমাদের কঠোর পরিশ্রমী ক্রু প্রথম ছুটি পেল। কিন্তু ওদের ঘুমের মধ্যেও নিশ্চয়ই কাজের কথা ভেসে উঠছে।’’
মোহনবাগানের সঙ্গে ফেডারেশনও হারল গুয়াহাটিতে । রতন চক্রবর্তী - আনন্দবাজার
টাম্পাইন্স রোভার্স-২(জর্ডন, আফিক): মোহনবাগান-১ (বিক্রমজিৎ)
খাঁ খাঁ করছে স্টেডিয়াম।
কিছুক্ষণ আগেই নতুন অসম সরকারের শপথ গ্রহণ করিয়ে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
স্টেডিয়ামে ঢুকতে গেলে পুলিশি ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে সবাইকেই। সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কারণে যা হয়!
কোনও টিকিট কাউন্টার ছিল না। কারণ ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দিলেও দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তবু জেজে-সুভাষ সিংহদের বন্ধুবান্ধব মিলিয়ে আড়াইশো মতো লোক এসেছিলেন খেলা দেখতে।
বড় মঞ্চে ছোট সংবর্ধনা | আজকাল
আজকালের প্রতিবেদন: আজ শহরে ফিরছে ফেড কাপ জয়ী মোহনবাগান। কোচ সঞ্জয় সেন দল নিয়ে বেলা ১টা ৪০–এ কলকাতায় নামবেন। বিমানবন্দর থেকে মোহনবাগান দলকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে সোজা ময়দানে মোহনবাগান তাঁবুতে নিয়ে আসা হবে। জানা গেছে, বাসটিকে বিশেষভাবে সাজানো হবে। তাঁবুও সবুজ–মেরুন রঙে সাজানো হবে। থাকবে সবুজ–মেরুন আবিরও। মোহনবাগানের সহ–সচিব সৃঞ্জয় বসু মঙ্গলবার জানিয়েছেন, আই লিগ জেতার পর গত বছর যেভাবে জয়ী ফুটবলারদের বরণ করে নেওয়া হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই এবারও বরণ করে নেওয়া হবে।
এএফসি কাপে ট্যাম্পাইন্স রোভার্সের কাছে ২-১ গোলে হার বাগানের | আনন্দবাজার
মোহনবাগান ১ (বিক্রমজিত)
ট্যাম্পাইন্স রোভার্স ২ (জর্ডন, ইউনোস)
কাটসুমি ইউসা ও সোনি নর্ডির অভাবটা যেন আজ আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মোহনবাগানে তাঁদের গুরুত্বটা। ফেডারেশন কাপে নক-আউট পর্বে সিঙ্গাপুরের দল ট্যাম্পাইন্স রোভার্সের কাছে ২-১ গোলে তাই হেরে যেতে হল ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়নদর। ২দিন আগেই এই মাঠে ফেড কাপ জয়ের উল্লাসে মেতেছিল সবুজ-মেরুণ ব্রিগেড। কিন্তু এএফসি কাপে হেরেই শহরে ফিরতে হচ্ছে সঞ্জয় সেনদের।
Monday, May 23, 2016
ফেডকাপজয়ীদের অভিনব সংবর্ধনা | রতন চক্রবর্তী - আনন্দবাজার
![]() |
| এভারেস্ট শিখরেও প্রিয় দলের পতাকা উড়িয়ে এলেন পর্বতারোহী মলয় মুখোপাধ্যায়। —নিজস্ব চিত্র |
সব কিছু ঠিকঠাক চললে বুধবার বিকেলে ক্লাব তাঁবুতে ফেড কাপজয়ীদের জন্য চমকপ্রদ একটি সংবর্ধনা দিতে চলেছে মোহনবাগান।
ক্লাব লনে বিশাল মঞ্চ করে আগের তেরো বারের কাপ জয়ী অধিনায়কদের একসঙ্গে হাজির করানোর চেষ্টা করছেন ক্লাব কর্তারা। শ্যাম থাপা, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, কৃষ্ণেন্দু রায় থেকে ভাইচুং ভুটিয়া, বিশ্বনাথ মণ্ডলদের হাত দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হবে গ্লেন, কাতসুমি, কিংশুকদের। জোসে ব্যারেটো ইংল্যান্ডে রয়েছেন। তিনি ছাড়া বাকি সব অধিনায়ককে এক মঞ্চে হাজির করানো যাবে আশা করছেন মোহন কর্তারা।
ম্যাচ করতে তিন লাখ দিতে হল মোহন বাগানকে | বর্তমান
নিজস্ব প্রতিনিধি, গুয়াহাটি, ২৩ মে: এ এফ সি কাপের গ্রুপ লিগের তিনটি ম্যাচ করতে মোহন বাগানকে সব মিলিয়ে দিতে হয়েছিল দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা। এই স্টেডিয়ামটি স্পোর্টস অথারিটি অফ অসমের। গ্রুপ লিগের তিনটি ম্যাচের সময় ছিল কংগ্রেসী সরকার। অসম ফুটবল সংস্থার সর্বময় কর্তা অক্রুর দত্ত এখানকার পরিচিত কংগ্রেসী নেতা। তিনি সুলভে মোহন বাগানকে তিনটি ম্যাচ করিয়ে দেন। কিন্তু পরিবর্তনের জামানায় অসম ক্রীড়া মন্ত্রকের অফিসাররা আর তাঁর কথা রাখেনি। এবার স্টেডিয়াম ভাড়া কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নিল স্পোর্টস অথারিটি অফ অসম।
ট্যামপাইন্স এবার অনেক তৈরি, শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে মোহন বাগান | বর্তমান
দুপুরে স্টেডিয়াম চত্বরে হেলিকপ্টারে নামবেন নরেন্দ্র মোদী
গুয়াহাটি থেকে জয় চৌধুরি, ২৩ মে: মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় এখানে এ এফ সি কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মোহন বাগান- ট্যামপাইন্স এফ সি’র ম্যাচ। আর দুপুরেই গুয়াহাটি বিমান বন্দর থেকে হেলিকপ্টারে স্টেডিয়াম চত্বরে নামার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। মঙ্গলবারই অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে খানাপাড়ার মাঠে শপথ নেবেন সর্বানন্দ সোনোওয়াল। উত্তর- পূর্ব ভারতে তিনিই প্রথম বি জে পি’র মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর- পূর্ব ভারতকে বি জে পি কতটা গুরুত্ব দিতে চাইছে সেটা বোঝাতেই বি জে পি’র সভাপতি অমিত শাহ’র সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীও আসছেন। তাঁর সঙ্গেই আসছেন দেশের দুই বিশিষ্ট ধর্মগুরু রামদেব আর রবিশঙ্কর। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বি জে পি’র মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকবেন। গুয়াহাটি বিমান বন্দর থেকে খানাপাড়ার মাঠের দূরত্ব ১৭ কিমি। তাই স্টেডিয়াম চত্বরে সাজসাজ রব। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহর।
সফল মরশুম শেষে মোহন বাগানে বিস্তর ধোঁয়াশা । রাতুল ঘোষ - বর্তমান
প্রলম্বিত গ্রীষ্মের দহনজ্বালা শেষে বর্ষা আসতে আর বেশি দেরি নেই। হায়! এই সময়ে এখন আর কলকাতা ময়দানে ফুটবলের পদধ্বনি শোনা যায় না। অথচ পঞ্চাশ বা ষাটের দশকে কলকাতার তিন বড় ক্লাব লিগের প্রথম ম্যাচটি খেলতে নামত ৯ থেকে ১৫ মে’র মধ্যে। এখন অবশ্য পুরো ফুটবল ক্যালেন্ডারই বদলে গিয়েছে। বুধবার গুয়াহাটিতে এএফসি কাপের ম্যাচ শেষ হলেই ২০১৫-১৬ মরশুমে ভারতীয় ফুটবলে যবনিকা নামছে। কোনও সন্দেহ নেই, এবারও দেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনকারী ক্লাবের নাম মোহন বাগান। কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে আই লিগ খেতাব। তবু বিন্দুমাত্র হতোদ্যম না হয়ে মোহন বাগান ভারতের ‘চ্যাম্পিয়ন ক্লাব অব ইন্ডিয়া’ খেতাব ফেডারেশন কাপ জিতেছে। এই সাফল্যের জন্য কোচ সঞ্জয় সেন এবং সবুজ-মেরুন ফুটবলারদের বিপুল অভিনন্দন প্রাপ্য।
Subscribe to:
Posts (Atom)













